
নিজেকে নিরপরাধ হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টায় শেখ হাসিনা সফল হবেন সে সম্ভাবনা খুবই কম। ২০২৪ সালের জুলাই আগস্টে কী হয়েছিল, তার সরকারের এবং নিরাপত্তা বাহিনীর ভূমিকা কি ছিল– তার অনেক সাক্ষ্য-প্রমাণ, ছবি-ফুটেজ এমনকি সাধারণ মানুষের কাছেও রয়েছে। জাতিসংঘের তদন্তেও তা প্রমাণিত হয়েছে।

আটলান্টিক কাউন্সিল আমেরিকার অন্যতম থিংক ট্যাঙ্ক, যারা মূলত বৈদেশিক ব্যাপারে কথা বলে। এদিকে শেখ হাসিনার ১৫ বছরের শাসন থেকে বেরিয়ে আসার পথে এই রায় কী অর্থ বয়ে আনবে তা নিয়ে তিন বিশেষজ্ঞ মতামত দিয়েছেন। সেই মতামত আটলান্টিক কাউন্সিল তাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করেছে।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে করা মামলার রায় দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তার অনুপস্থিতেই এই রায় ঘোষণা করা হয়। শেখ হাসিনা এখন ভারতে। তাকে ফেরত চেয়ে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ভারতের কাছে আগেই চিঠি পাঠানো হয়েছে।

মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। দিল্লিতে অবস্থানরত শেখ হাসিনাকে ফেরত চেয়ে এর আগে চিঠি দিয়েছিল বাংলাদেশ। নতুন করে এ আলোচনা আবার সামনে এসেছে। প্রশ্ন উঠেছে, ভারত কি শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠাবে?

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে শেখ হাসিনাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মোট পাঁচটি অভিযোগ আনা হয়েছিল। শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে শেখ হাসিনাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মোট পাঁচটি অভিযোগ আনা হয়েছে।

শেখ হাসিনাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায়কে কেন্দ্র করে আইসিটি ও সুপ্রিম কোর্ট এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার। পথচারীদের থামিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ ও তল্লাশি করা হচ্ছে এবং দেখা হচ্ছে পরিচয়পত্র।

মামলায় ৫৪ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দেন, যার মধ্যে ছিলেন জুলাই আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী নাহিদ ইসলাম এবং দৈনিক আমার দেশের সম্পাদক মাহমুদুর রহমান। গণ অভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ আবু সাঈদের পরিবারের সদস্যসহ আরও অনেকে আদালতে বয়ান দেন।

শেখ হাসিনার আইনজীবী আমির হোসেন এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল প্রসঙ্গে বলেন, “আমার পক্ষে এ মামলায় আপিল করার সুযোগ নেই।

পরওয়ার বলেন, “আমরা মনে করি, এই রায়ের মাধ্যমে আংশিক হলেও জাতির বহু দিনের আশা পূরণ হয়েছে। বিচারকরা দীর্ঘ সময় ধরে যে রায় পড়েছেন, তাতে পরিষ্কার বোঝা গেছে, অপরাধীরা কতটা নৃশংস ও ঘৃণ্য অপরাধ করেছিল।”

বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও জানায়, ভারত সরকারের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে যেন অনতিবিলম্বে দণ্ডপ্রাপ্ত এই দুই ব্যক্তিকে বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করেন। দুই দেশের মধ্যে বিরাজমান প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুসারে এটি ভারতের জন্য অবশ্য পালনীয় দায়িত্ব।

চুক্তি বাতিল হলে ঢাকার সঙ্গে সম্পর্কের তিক্ততা চরম রূপ নেবে-যা আঞ্চলিক, ভূরাজনৈতিক ও কূটনৈতিক দিক থেকে চ্যালেঞ্জ তৈরি করবে। এই মুহূর্তে যা ভারতের জন্য আরও সমস্যার সৃষ্টি করবে।

শেখ হাসিনার শাসনামালেই একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের জন্য আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়। যেখান থেকেই মৃত্যুদণ্ডের রায় এল তার।

প্রারম্ভিক বক্তব্যে ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদার এ মামলায় সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, মোট ৪৫৩ পৃষ্ঠার এই রায় সাজানো হয়েছে ছয়টি ভাগে।

প্রারম্ভিক বক্তব্যে ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদার এ মামলায় সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, মোট ৪৫৩ পৃষ্ঠার এই রায় সাজানো হয়েছে ছয়টি ভাগে।

২০০৮ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশে থাকা মরিয়ার্টি বলেন, শেখ হাসিনার দল সংবিধান সংশোধন করে একটি একদলীয় রাষ্ট্র গড়তে আইন ব্যবস্থায় পরিবর্তন এনেছে। তবে এখন পরিস্থিতি বদলাচ্ছে এবং বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ কেমন হবে তা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

২০০৮ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশে থাকা মরিয়ার্টি বলেন, শেখ হাসিনার দল সংবিধান সংশোধন করে একটি একদলীয় রাষ্ট্র গড়তে আইন ব্যবস্থায় পরিবর্তন এনেছে। তবে এখন পরিস্থিতি বদলাচ্ছে এবং বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ কেমন হবে তা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

শেখ হাসিনার মামলার রায়
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রবেশ মুখে র্যাব ও সেনা সদস্য মোতায়েন থাকবে। এছাড়াও বিজিবি ও ডিএমপির সাঁজোয়া যান থাকবে।

শেখ হাসিনার মামলার রায়
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রবেশ মুখে র্যাব ও সেনা সদস্য মোতায়েন থাকবে। এছাড়াও বিজিবি ও ডিএমপির সাঁজোয়া যান থাকবে।